বিকাশ, নগদ বা রকেট — আপনার পছন্দের মোবাইল ব্যাংকিং দিয়ে মাত্র কয়েক সেকেন্ডে ডিপোজিট করুন। উইথড্র রিকোয়েস্ট দেওয়ার আধঘণ্টার মধ্যেই টাকা আপনার ওয়ালেটে। কোনো লুকানো চার্জ নেই, কোনো ঝামেলা নেই।
SSL এনক্রিপ্টেড · ২৫৬-বিট নিরাপত্তা · ৫ লাখ+ সন্তুষ্ট ব্যবহারকারী
আপনার পরিচিত মোবাইল ব্যাংকিং দিয়েই লেনদেন করুন — নতুন কিছু শিখতে হবে না
বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং। বিকাশ পার্সোনাল বা এজেন্ট নম্বর দিয়ে ডিপোজিট করুন, সঙ্গে সঙ্গে ব্যালেন্স যোগ হয়।
ডাক বিভাগের নগদ ওয়ালেট দিয়ে সহজেই লেনদেন করুন। ডিপোজিট ও উইথড্র দুটোই দ্রুত হয়, লেনদেন ফিও কম।
ডাচ-বাংলা ব্যাংকের রকেট ব্যবহারকারীরাও yesb3-এ সহজে ডিপোজিট করতে পারবেন। উইথড্রও মাত্র ৩০ মিনিটে।
বড় অঙ্কের লেনদেনের জন্য ব্যাংক ট্রান্সফার সবচেয়ে নিরাপদ। NPSB ও BEFTN উভয় পদ্ধতিই সমর্থিত।
ধাপে ধাপে জেনে নিন — মাত্র কয়েক মিনিটেই হয়ে যাবে
yesb3-এ আপনার ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। নতুন হলে প্রথমে নিবন্ধন করে নিন — মাত্র ২ মিনিট লাগবে।
ড্যাশবোর্ডের উপরের দিকে সবুজ "ডিপোজিট" বাটনটি খুঁজুন। এতে ক্লিক করলে পেমেন্ট পদ্ধতি বেছে নেওয়ার পেজ আসবে।
বিকাশ, নগদ বা রকেট — পছন্দের পদ্ধতিটি বেছে নিন। কত টাকা ডিপোজিট করতে চান সেটা লিখুন। সর্বনিম্ন ৳৫০।
স্ক্রিনে দেখানো নম্বরে আপনার বিকাশ/নগদ/রকেট থেকে সেন্ড মানি করুন। রেফারেন্স নম্বরটি অবশ্যই উল্লেখ করুন।
পেমেন্ট নিশ্চিত হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার yesb3 ওয়ালেটে ব্যালেন্স যোগ হয়ে যাবে। পুশ নোটিফিকেশনও পাবেন।
স্বচ্ছতার জন্য সব তথ্য এক জায়গায়
উইথড্র সময় ব্যাংক ও মোবাইল অপারেটরের উপর নির্ভর করে সামান্য পার্থক্য হতে পারে।
yesb3-এ আপনার প্রতিটি লেনদেন সুরক্ষিত — এটি শুধু কথার কথা নয়
প্রতিটি লেনদেনের ডেটা ২৫৬-বিট SSL প্রযুক্তিতে এনক্রিপ্ট থাকে। তৃতীয় পক্ষ কোনোভাবেই আপনার তথ্য দেখতে পারবে না।
প্রতিটি উইথড্র রিকোয়েস্টে আপনার নিবন্ধিত নম্বরে OTP পাঠানো হয়। আপনার অনুমতি ছাড়া কোনো টাকা বের হয় না।
AI-চালিত ফ্রড ডিটেকশন সিস্টেম সন্দেহজনক লেনদেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ধরে ফেলে এবং অ্যাকাউন্ট লক করে দেয়।
একবার KYC সম্পন্ন করলে আপনার পরিচয় নিশ্চিত হয়, যা ভবিষ্যতে যেকোনো জালিয়াতি থেকে আপনার অ্যাকাউন্ট রক্ষা করে।
প্রতিটি ডিপোজিট ও উইথড্রের বিস্তারিত লগ সংরক্ষিত থাকে। যেকোনো সময় দেখতে ও ডাউনলোড করতে পারবেন।
প্রতিটি লেনদেনে SMS ও পুশ নোটিফিকেশন পাঠানো হয়। কোনো অপরিচিত লেনদেন হলে সঙ্গে সঙ্গেই জানতে পারবেন।
আন্তর্জাতিক পেমেন্ট কার্ড ইন্ডাস্ট্রি মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়।
yesb3 একটি নিয়ন্ত্রিত ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত গেমিং প্ল্যাটফর্ম।
ব্যবহারকারীর তহবিল আলাদা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত থাকে।
অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মে টাকা লেনদেন করার বিষয়টা অনেকের কাছে একটু জটিল মনে হয়। কিন্তু yesb3 এই অভিজ্ঞতাকে এতটাই সহজ করে তুলেছে যে প্রথমবার ব্যবহারকারীরাও কোনো সাহায্য ছাড়াই ডিপোজিট করতে পারেন। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট থেকে রাজশাহী — বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে লেনদেন করা যায়।
বিকাশ আমাদের দেশে কতটা পরিচিত সেটা আলাদা করে বলার দরকার নেই। গ্রামের মুদির দোকান থেকে শুরু করে শহরের আধুনিক রেস্তোরাঁ — সর্বত্রই বিকাশ চলে। yesb3-ও এই পরিচিত ব্যবস্থাকে কাজে লাগিয়েছে। আপনি যেভাবে বিকাশ দিয়ে মোবাইল রিচার্জ করেন বা বিল দেন, ঠিক সেই একই পদ্ধতিতে yesb3-এ ডিপোজিট করতে পারবেন। নতুন কিছু শিখতে হবে না, নতুন কোনো অ্যাপ ইন্সটল করতে হবে না।
ডিপোজিট করার সময় একটা জিনিস খুব গুরুত্বপূর্ণ — রেফারেন্স নম্বর। yesb3 পেমেন্ট পেজে যে ট্রানজেকশন রেফারেন্স দেখানো হয়, সেটা বিকাশ বা নগদে পাঠানোর সময় 'রেফারেন্স' বা 'নোট' ঘরে লিখতে হবে। এই নম্বরটি সঠিকভাবে দিলে সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে পেমেন্ট শনাক্ত করে আপনার ওয়ালেটে ব্যালেন্স যোগ করে দেয়। রেফারেন্স ভুল হলে বা বাদ পড়লে ম্যানুয়ালি যাচাই করতে হয়, তখন একটু বেশি সময় লাগতে পারে।
অনেক সময় দেখা যায় নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে মোবাইল ব্যাংকিং থেকে টাকা কেটে গেছে কিন্তু yesb3 ওয়ালেটে আসেনি। এটা একটা সাধারণ সমস্যা যা মাঝেমধ্যে যেকোনো ডিজিটাল পেমেন্টে হতে পারে। এরকম হলে চিন্তার কিছু নেই — লেনদেনের স্ক্রিনশট নিয়ে yesb3 সাপোর্টে পাঠালে সাধারণত ১–২ ঘণ্টার মধ্যে সমস্যা সমাধান হয়ে যায়।
জেতার পর টাকা তুলতে পারা যেকোনো গেমিং প্ল্যাটফর্মের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। yesb3 এই বিষয়ে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক মানের মধ্যে সবচেয়ে ভালো পারফরমেন্স দেয়। ৩০ মিনিটের গড় উইথড্র সময় এই ইন্ডাস্ট্রিতে বেশ ভালো। অনেক প্ল্যাটফর্ম দাবি করে দ্রুত উইথড্র দেয়, কিন্তু বাস্তবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লেগে যায়। yesb3 এই জায়গায় তার কথা রাখে।
প্রতিদিন উইথড্রের একটি সীমা আছে, তবে সেটা যথেষ্ট উদার। সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য দৈনিক ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত উইথড্র করা যায়। বড় অঙ্কের জন্য ব্যাংক ট্রান্সফার পদ্ধতি ব্যবহার করলে আরও বেশি তোলা সম্ভব। VIP সদস্যদের জন্য এই সীমা আলাদাভাবে বাড়ানো থাকে।
yesb3-এ ডিপোজিট বোনাস পেলে সেটা সরাসরি উইথড্র করা যায় না — এটা বোঝা জরুরি। বোনাসের টাকা নির্দিষ্ট পরিমাণ বেটিং (টার্নওভার) শেষ করলে উইথড্রযোগ্য হয়। যেমন, ৫০০ টাকা বোনাস পেলে সাধারণত ৫–১০ গুণ টার্নওভার করতে হয়। এই শর্তগুলো প্রতিটি বোনাসের বিস্তারিতে লেখা থাকে। বোনাস নেওয়ার আগে শর্তগুলো একবার পড়ে নেওয়াই ভালো।
আপনি চাইলে বোনাস ছাড়াও ডিপোজিট করতে পারেন। সেক্ষেত্রে কোনো টার্নওভার শর্ত নেই এবং যেকোনো সময় উইথড্র করতে পারবেন। কোনটা আপনার জন্য ভালো সেটা আপনার খেলার ধরনের উপর নির্ভর করে।
yesb3-এর Android অ্যাপ ইন্সটল করলে লেনদেনের অভিজ্ঞতা আরও মসৃণ হয়। একবার পেমেন্ট পদ্ধতি সেভ করে রাখলে পরবর্তী ডিপোজিটে মাত্র দুটি ট্যাপেই কাজ শেষ। উইথড্র রিকোয়েস্ট দেওয়ার পরে অ্যাপে রিয়েল-টাইম স্ট্যাটাস দেখা যায় — প্রক্রিয়াধীন, অনুমোদিত, বা সম্পন্ন। এতে বারবার সাপোর্টে জিজ্ঞেস করার ঝামেলা থাকে না।
রাতে কিংবা ভোরবেলায় লেনদেন করলেও সমস্যা নেই। yesb3-এর পেমেন্ট সিস্টেম ২৪ ঘণ্টা, ৭ দিন চালু থাকে। ছুটির দিনে বা রাত ৩টায় ডিপোজিট করলেও তাৎক্ষণিকভাবে ব্যালেন্স পাবেন।
yesb3 ডিপোজিটে কোনো চার্জ নেয় না। আপনি যত টাকা পাঠাবেন, পুরোটাই ওয়ালেটে আসবে। উইথড্রতেও yesb3-এর পক্ষ থেকে কোনো চার্জ নেই। তবে বিকাশ বা নগদ তাদের নিজস্ব ক্যাশআউট চার্জ নিতে পারে, সেটা সংশ্লিষ্ট মোবাইল ব্যাংকিং কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করে — yesb3-এর নিয়ন্ত্রণে নেই। সাধারণত এই চার্জ খুবই নগণ্য।
বিকাশ থেকে yesb3 ওয়ালেট পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ
আপনি yesb3-এ ডিপোজিট পেজ খুলে পরিমাণ ও পেমেন্ট পদ্ধতি বেছে নিলেন। একটি ইউনিক রেফারেন্স নম্বর তৈরি হলো।
আপনি বিকাশ অ্যাপ বা *247# থেকে সেন্ড মানি করলেন। রেফারেন্স নম্বরটি নোটে দিলেন।
yesb3-এর পেমেন্ট গেটওয়ে বিকাশের সার্ভার থেকে পেমেন্ট নিশ্চিতকরণ পেল এবং রেফারেন্স মিলিয়ে দেখল।
আপনার yesb3 ওয়ালেটে ব্যালেন্স যোগ হলো। SMS ও অ্যাপ নোটিফিকেশন পেলেন।
এখন আপনি যেকোনো গেমে বেট করতে পারছেন। পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হলো মাত্র দেড় মিনিটে।
লেনদেন নিয়ে সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞেস করা প্রশ্নগুলোর উত্তর